
DESK REPORT II KATHA24
ঝালকাঠিতে জামায়াতে ইসলামীর অফিসে অগ্নিসংযোগ, তীব্র নিন্দা জানালেন নেতারা** ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি-১ আসনের সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাতে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অফিস কক্ষ থেকে হঠাৎ ধোঁয়া ও আগুনের শিখা উঠতে দেখে বাজারের ব্যবসায়ীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে, তবে এতে অফিসের আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে যায়। এই ঘটনার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঝালকাঠি জেলা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন,
“এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত। যারা ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম দমাতে চায়, জনগণ তাদের ব্যালটের মাধ্যমে রুখে দেবে।” জামায়াত নেতারা আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, মা-বোন এবং সমাজকে এই নব্য জালিমদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। তারা জনগণের প্রতি আহ্বান জানান—সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করার এবং আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠি-১ আসনের সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি অফিসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, গভীর রাতে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ অগ্নিসংযোগ চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে অফিস কক্ষ থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা উঠতে দেখা গেলে বাজারের ব্যবসায়ীরা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এতে অফিসের আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে যায়।
ঘটনার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঝালকাঠি জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন,
“এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি আঘাত। যারা ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম দমাতে চায়, জনগণ তাদের ব্যালটের মাধ্যমে রুখে দেবে।”
জামায়াত নেতারা আরও বলেন, এই নব্য জালিমদের হাত থেকে দেশ, মা-বোন এবং সাধারণ মানুষকে মুক্ত করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তারা জনগণের প্রতি আহ্বান জানান—সহিংসতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।